বুক ধড়াস

Estimated read time 1 min read

রোববার সকাল সকাল বাজারে গেলাম। কাছারী মাঠের মাছ বাজারে ঢুকে বুক ধড়াস করে উঠলো।

রোজ সকালে RDB বাস স্টপেজে নেমে হাটতে হাটতে আপিসে পৌঁছাই। কয়েকদিন RDB এর ওই খোলা চত্বরের পাথরের মেঝের উপরে দিয়ে যেতে গিয়ে জলের উপরে পা দিয়ে পা পিছলে পড়তে পড়তে বেচেছি। মাঝে মাঝে সকালের দিকে জল দিয়ে এই চত্বর পরিষ্কার করে ওরা। এখন বুঝে গিয়ে মাঝখান দিয়ে আর যাই না, এক ধার দিয়ে সিমেন্ট বাঁধানো পায়ে হাটার রাস্তা দিয়ে যাই। পর পর এই পা পেছলানোর ঘটনাটি ঘটেছে ৯:৪৫ থেকে ১০টার মধ্যে।

আজ মেছো বাজারে গিয়েছিলাম প্রায় এই একই সময়ে। মাছ দেখতে দেখতে হঠাৎ বুক কেপে উঠলো। মনে হলো যেনো আমার পা পিছলে গেল এই জল প্যাচপ্যাচে মেছো বাজারের গলি তে। না, সত্যি সত্যি পেছলায়নি। হয়তো জল, ভেজা হাটার যায়গা আর সকাল ১০টা এক সাথে চোখের সামনে এসে পড়ায় মস্তিষ্ক আগের অভিজ্ঞতা থেকে পূর্ব অনুমান করে মাথার মধ্যেই সিন ক্রিয়েট করে ফেলেছিলো।

বুক ধড়াস করা আসল কারণ পা পিছলে পড়ে যাওয়া নয়!! আসল কারণ ওই বড়ো বড়ো মাছ কটা বোটি। পা পিছলে পড়লে এক্কেবারে দু ভাগ, পিচকারি দিয়ে রাঙা রক্ত ছড়িয়ে পড়বে মেছো বাজারে। বোটির মালিক হয়তো ৩০ টাকাও চাইবে না ভয়ে, কাটাকাটি করার জন্য।

সঞ্জয় হামানিয়া
২৬সে নভেম্বর ২০২৩, বারাসাত, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

+ There are no comments

Add yours